অনলাইন ডেস্কঃ আগামী নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই-কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর এ কথা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
গত ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর সচিবালয়ে নিজের মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মুখোমুখী হলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য আর ২ বছর ২ মাস সময় আছে আমাদের। আমরা যথা সময়েই নির্বাচন করব। অলরেডি পার্টি কাউন্সিল থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করব। আমরা অলরেডি শুরু করে দিয়েছি।’
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূলের যে নেতাকর্মীরা এসেছেন, তাদের নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান আমাদের পার্টির সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কোন বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করছেন জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে পার্টিকে আরও গতিময় করা, স্মার্টার করা এবং ছোটখাট ইন্টারনাল যে সমস্যাগুলো আছে, ডিসিপ্লিস ফিরিয়ে এনে দলকে সুসংগঠিত করে নির্বাচনে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া।’
হাইব্রিড বা সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে আপনার কন্ঠ সব সময়ই জোরালো। এখন এ সব রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে ভূমিকা নেওয়ার সুযোগ এসেছে- একজন সংবাদিক এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখুন দলে সব ধরণের লোকই থাকে, নতুন লোকও আসে। আমার এখানে যে বিষয়টা দেখতে হবে যাতে বসন্তের কোকিলা এসে দুঃসময়ের কর্মীদের কোণঠাসা করে না ফেলে। তাতে দল দুর্বল হয়ে যায়।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের সরকার এখন অত্যন্ত শক্তিশালী, আমার উদ্দেশ্য হল স্ট্রং একটা টিম ওয়ার্ক করা। শক্তিশালী সরকারের পাশাপাশি শক্তিশালী দলও আমরা গড়ে তুলব।’
Comments
comments