অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়াকে শালীনতা ও সম্মানের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ জানাই। তার বুঝা উচিত আমাদের বাজেট খাই খাই হাওয়া ভবন তৈরির বাজেট নয়। এই বাজেট উন্নয়ন ও জনকল্যাণের জন্য। তাই উন্নয়ন ও জনকল্যাণের বাজেট দেখে খালেদা জিয়া ও তার দলের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।
শুক্রবার কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়াপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
গতকাল জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ৮৭ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।
বাজেট ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এক ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রস্তাবিত বাজেটকে লুটপাটের বাজেট বলে আখ্যা দেন।
ওবাদুল কাদের বলেন, বিএনপি দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে যায় না। তারা শুধু ফটোসেশন করতে যায়। আমরা অতীতে দেখেছি বিএনপি হাওরে গিয়েও ফটোসেশন করেছে। কিন্তু আমরা ফটোসেশন করতে আসিনি, এসেছি উপকূলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের সাহায্য ও পুনর্বাসিত করতে।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেও প্রতি মুহূর্তে তিনি খোঁজ-খবর নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও তাদের পাশে দাঁড়ানো জন্য কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই আমরা দ্রুত উপকূলে চলে এসেছি। কিন্তু বিএনপি কখন আসবে?
আওয়ামী লীগ সরকার দরিদ্রবান্ধব উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা দুর্গত এলাকায় কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না। তাদের আগের অবস্থান নিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে। ঘূর্ণিঝড়ে মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ছাড়া সবকিছুর পুষিয়ে দেয়া হবে।
মন্ত্রীর সাথে সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক একেএম এনামুল হক শামিম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, ঢাকসুর সাবেক ভিপি কতারুজ্জামান, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক সুবির রায় নন্দী, আনোয়ার হোসেন, সেলিম রব্বানী চিনু।
Comments
comments